বর্তমান স্মার্টফোন বাজারে Xiaomi এমন একটি নাম, যাকে আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। ফ্ল্যাগশিপ সেগমেন্টে Xiaomi তাদের “Ultra” সিরিজের মাধ্যমে সব সময়ই নতুন প্রযুক্তি ও শক্তিশালী হার্ডওয়্যার নিয়ে হাজির হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে Xiaomi 17 Ultra।
এই আর্টিকেলে আমরা Xiaomi 17 Ultra নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো—ডিজাইন থেকে শুরু করে ক্যামেরা, পারফরম্যান্স, ব্যাটারি, সফটওয়্যার, সম্ভাব্য দাম এবং বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য এটি কতটা উপযোগী হতে পারে তা নিয়ে একটি বাস্তবধর্মী বিশ্লেষণ তুলে ধরা হবে।
Xiaomi 17 Ultra কেন এত আলোচিত?
Xiaomi 17 Ultra বাজারে আসার আগেই ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। এর প্রধান কারণ হলো এর শক্তিশালী ফিচার, প্রিমিয়াম ডিজাইন এবং আধুনিক প্রযুক্তি। Xiaomi বরাবরই ভালো স্পেসিফিকেশন কম দামে দেওয়ার জন্য পরিচিত। 17 Ultra সেই ধারাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে।
এই ফোনটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর ক্যামেরা সেটআপ। Xiaomi 17 Ultra-তে উন্নত সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ছবি খুব পরিষ্কার আসে। দিনের আলোতে রঙ অনেক সুন্দর দেখায়। রাতের ছবিও আগের চেয়ে ভালো হয়। যারা মোবাইল দিয়ে ছবি তুলতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি বড় একটি কারণ।
ফোনটির ডিসপ্লে খুব উন্নত। এতে বড় আকারের AMOLED স্ক্রিন রয়েছে। রেজোলিউশন বেশি হওয়ায় ভিডিও দেখতে দারুণ লাগে। স্ক্রিন খুব উজ্জ্বল এবং রিফ্রেশ রেট বেশি। তাই স্ক্রল করলে চোখে আরাম লাগে। গেম খেলতেও ভালো অভিজ্ঞতা দেয়।
পারফরম্যান্সের দিক থেকেও Xiaomi 17 Ultra বেশ শক্তিশালী। এতে নতুন প্রজন্মের ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে অ্যাপ দ্রুত খোলে। মাল্টিটাস্কিং সহজ হয়। ভারী গেমও মসৃণভাবে চলে। দৈনন্দিন ব্যবহারে ফোন ধীর লাগে না।
এই ফোনে আছে বড় RAM ও স্টোরেজ অপশন। তাই অনেক অ্যাপ একসাথে চালানো যায়। ছবি, ভিডিও বা ফাইল রাখার চিন্তা কমে যায়। এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহারেও ভালো পারফরম্যান্স দেয়।
ব্যাটারির দিক থেকেও Xiaomi 17 Ultra প্রশংসা পাচ্ছে। বড় ব্যাটারি থাকার কারণে ফোন সারাদিন অনায়াসে চলে। সাথে আছে ফাস্ট চার্জিং। অল্প সময়ে অনেক চার্জ পাওয়া যায়। ব্যস্ত ব্যবহারকারীদের জন্য এটি খুব উপকারী।
সফটওয়্যার অভিজ্ঞতাও উন্নত। নতুন Android ভার্সন এবং Xiaomi-এর নিজস্ব UI ব্যবহার করা হয়েছে। ইন্টারফেস সহজ। ব্যবহার করা স্বাচ্ছন্দ্য। নতুন ফিচারগুলো বাস্তব জীবনে কাজে লাগে।
সব মিলিয়ে, Xiaomi 17 Ultra আলোচিত কারণ এটি একটি সম্পূর্ণ ফ্ল্যাগশিপ প্যাকেজ। ক্যামেরা, ডিসপ্লে, পারফরম্যান্স এবং ব্যাটারি—সব দিকেই এটি শক্তিশালী। তাই প্রযুক্তিপ্রেমীদের মাঝে এই ফোন নিয়ে এত আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি:
Xiaomi 17 Ultra-র ডিজাইন খুব সুন্দর এবং প্রিমিয়াম মনে হয়। ফোনটি দেখতে পাতলা ও স্টাইলিশ। সামনে ও পিছনে শক্ত গ্লাস আছে। ফোনটি হাতে ধরলে আরাম লাগে। ফোনের বডি অনেক শক্ত। এটি প্রতিদিনের ব্যবহার সহ্য করতে পারে। হাতে ধরে রাখা নিরাপদ মনে হয়। এগুলো দেখে বোঝা যায় এটি শুধু সুন্দর নয়, টেকসইও।
ফোনের এক থেকে দুই বাটন আছে। এগুলো ঠিক জায়গায় রয়েছে। তাই ফোন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। পাওয়ার বাটন ও ভলিউম বাটন টিপলে ঠিক ফিডব্যাক দেয়। ফোনের ফিনিশ গ্রেড ঠিক করা হয়েছে। পিছনের প্যানেল চকচকে হলেও বেশি গ্রীস বা দাগ খুব দেখা যায় না। যদি দাগ আসে, তাহলে কভার ব্যবহার করলে এটি আরও পরিষ্কার থাকে।
Xiaomi 17 Ultra-র এজগুলো হালকা বাঁকা। তাই হাতের ভিতর আরাম হয়। এটি সহজে পকেটে রাখা যায়। হাত থেকে ছুঁড়ে ফেললে খারাপ লাগে না, কারণ বডি শক্ত। ফোনের অতিরিক্ত কোনো জায়গায় বাল্ব, লেন্স বা ডিজাইন বেশি জটিল করা হয়নি। সবকিছু সরল ও সুন্দরভাবে সাজানো আছে। এতে ফোনটিকে দেখলেই প্রিমিয়াম অনুভূতি হয়।
সোজা ভাষায় বললে, Xiaomi 17 Ultra-র ডিজাইন স্টাইলিশ, প্রিমিয়াম ও টেকসই। এটি দেখতে ভালো লাগে এবং হাতে ধরে ব্যবহার করতে আরাম। যারা ফোনের লুক ও বিল্ড প্রাধান্য দেন, তাদের কাছে এটি ভালো পছন্দ হতে পারে।
ভিজুয়াল এক্সপেরিয়েন্সের নতুন লেভেলের
ডিসপ্লে:
Xiaomi 17 Ultra-এর ডিসপ্লে সত্যিই দারুণ। এটি ভিজুয়াল এক্সপেরিয়েন্সকে নতুন লেভেলে নিয়ে যায়। স্ক্রিনটি AMOLED। তাই রঙগুলো উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত এবং খুব স্পষ্ট দেখায়। ছবি বা ভিডিও খেললে মনে হয় সবকিছু জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
ডিসপ্লেটি বড় এবং প্রান্ত থেকে প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। এতে ভিডিও, ছবি এবং গেমিং সবকিছু আরও আকর্ষণীয় লাগে। টেক্সট ও আইকন পরিষ্কার ও ঝকঝকে দেখে যায়। এই স্ক্রিনে উচ্চ রিফ্রেশ রেট থাকায় স্ক্রল, ভিডিও বা গেম মসৃণভাবে চলে। স্ক্রল করলে ঝাঁকুনি বা থেমে যাওয়ার মতো অনুভূতি কম থাকে। চারপাশের এনিমেশন ও ইমেজ দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেয়।
আলো কম থাকলে বা রাতের ঘরে থাকলে স্ক্রিন ঠিকভাবে দেখা যায়। উজ্জ্বল সূর্যালোয়েও এটি ঠিকঠাক দেখা যায়। তাই বাইরে ভিডিও বা ছবি দেখা সহজ হয়। ভিডিও বা গেম খেললে কালার কনট্রাস্ট আর গভীরতা ভালো মনে হয়। কালো দৃশ্যেও গাঢ় কালো স্পষ্ট থাকে। এতে ছবি দেখে অভিজ্ঞতা উপভোগ্য হয়।
সোজা ভাষায় বললে, Xiaomi 17 Ultra-এর ডিসপ্লে ভালো রঙ, উচ্চ রিফ্রেশ এবং স্পষ্ট ছবি দিয়ে ব্যবহারকারীর চোখে আরাম দেয়। এটি ভিডিও, ছবি ও গেমিং সবকিছুতে উন্নত ভিজুয়াল এক্সপেরিয়েন্স দেয়।
পারফরম্যান্স ও প্রসেসর:
Xiaomi 17 Ultra‑র পারফরম্যান্স খুব শক্তিশালী। এতে একটি ফ্ল্যাগশিপ‑গ্রেড প্রসেসর থাকে। ফলে ফোনটি দ্রুত এবং মসৃণভাবে কাজ করে। এই প্রসেসরটি ফোনকে দ্রুত অ্যাপ খুলতে সাহায্য করে। মেসেজ, ভিডিও, ব্রাউজ বা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল সব সহজে হয়। লোডিং‑এ সময় লাগে কম।
ফোনে মাল্টিটাস্কিং খুব ভালো। অনেক অ্যাপ একসাথে খুলেও ফোন ধীরে যায় না। একসাথে ভিডিও দেখা, গান চালানো ও গেম খেলা—সবই আরামদায়ক। গেমিং পারফরম্যান্সও শক্তিশালী। ভারী গেমগুলো উন্নত গ্রাফিক্সে চলতে পারে। টাচ রেসপন্স দ্রুত। গেম খেলার সময় হ্যাং বা ল্যাগ খুব কম।
ফোনটি তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে ভালো। দীর্ঘ সময় গেম খেললে বা ভিডিও দেখলেও খুব বেশি গরম হয় না। ফলে পারফরম্যান্স লোস্ট হয় না। স্টোরেজ ও RAM‑এর সঙ্গে মিলিয়ে ফোনটি স্মুথ অনুভূতি দেয়। ছবি, ভিডিও ও ফাইল দ্রুত লোড হয়। র্যাম ম্যানেজমেন্ট কার্যকর। ফলে ফোনটি দীর্ঘ সময়ও ভালো থাকে।
সোজা ভাষায়, Xiaomi 17 Ultra‑এর পারফরম্যান্স দ্রুত, মসৃণ ও শক্তিশালী। দৈনন্দিন কাজ থেকে ভারী গেমিং পর্যন্ত সবকিছুতে ফোনটি ভালো ফল দেয়।
ক্যামেরা:
Xiaomi 17 Ultra‑র ক্যামেরা খুব শক্তিশালী। এটি ছবি ও ভিডিওতে চমৎকার রেজাল্ট দেয়। ফোনটিতে প্রধান সেন্সর বড় ও উন্নত। তাই দিনে আলোতে ছবি খুব পরিষ্কার হয়। রঙগুলো জ্বালে জ্বালে এবং সত্যি মনে হয়। ছবি তুললে মানুষের মুখ, পশুপাখি বা প্রাকৃতিক দৃশ্য সবকিছু স্পষ্ট আসে।
সেলফি ক্যামেরাও ভালো মানের। সামনে থাকা ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুললে মুখ সুন্দর ও পরিষ্কার দেখায়। সেলফি ভিডিও কল করলেও ছবি স্পষ্ট থাকে। ভিডিও রেকর্ডিং শক্তিশালী। ভিডিওতে দৃশ্য সুন্দরভাবে ধরা পড়ে। রঙ ভালো থাকে এবং আলো‑ছায়া ঠিক থাকে। ঘোরাঘুরি বা হাঁটাহাঁটি করলেও ভিডিও তুলতে সমস্যা কম হয়।
রাতের আলোতে ক্যামেরা কাজ করে ঠিকঠাক। রাতে ছবি তুললে কিছু শোর (noise) দেখা যায়, কিন্তু মোটামুটি ভালো রেজাল্ট আসে। যদি আলো একটু বেশি থাকে, তাহলে রাত্রে ছবি আরও ভালো হয়। ক্যামেরায় AI ফিচার ও আছে। এটি ছবি তুলতে সাহায্য করে। ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৃশ্য বুঝে সেটিংস ঠিক করে দেয়। ফলে ব্যবহারকারীর ছবি আরও ভালো হয়।
সহজ ভাষায়, Xiaomi 17 Ultra‑র ক্যামেরা দিনে অসাধারণ ছবি ও ভিডিও দেয়। রাতে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকলেও সাধারণ কাজে এটি খুব ভালো কাজ করে। 📸✨
ব্যাটারি ও চার্জিং: দ্রুত চার্জ, দীর্ঘ ব্যাকআপ
Xiaomi 17 Ultra‑র ব্যাটারি খুব শক্তিশালী। এটি একবার চার্জ করলে পুরো দিন আরামেই চলে। ভিডিও দেখা, গেম খেলা, নেট ব্রাউজ কিংবা মেসেজ—সবই দীর্ঘ সময় টিকে থাকে।
এই ফোনটিতে বড় ব্যাটারি থাকায় ব্যাকআপ খুব ভালো। সাধারণ ব্যবহার করলে রাতে পর্যন্ত ব্যাটারি শেষ হয়ে যায় না। তাই যদি আপনি সারাদিন বাইরে থাকেন, তখনও ফোনটি আপনাকে ঠিকই সাপোর্ট করে।
সবচেয়ে ভালো জিনিস হলো এটি দ্রুত চার্জিং সাপোর্ট করে। কম সময়েই ব্যাটারি ফুল হয়ে যায়। মিনিট কয়েকের মধ্যেই প্রচুর ব্যাটারি পাওয়া যায়। এর ফলে আপনাকে বারবার ফোন চার্জে রাখার দরকার হয় না।
ভিডিও দেখা বা গেম খেলার সময় ব্যাটারি কিছু কমে, কিন্তু এতে সাধারণ ব্যবহারের সময় ব্যাটারি স্বাভাবিকের মতো ঠান্ডা থাকে। অর্থাৎ ফোন খুব গরম হয়ে উঠেনা।
সহজ ভাষায় বললে, Xiaomi 17 Ultra‑র ব্যাটারি দীর্ঘসময় টিকে থাকে এবং দ্রুত চার্জ হয়। আপনি সারাদিন ব্যবহার করেও রাতে ব্যাটারির জন্য চিন্তা করবেন না। এটি এমন একটি ফোন যা ব্যাটারির দিক থেকে খুব নির্ভরযোগ্য। 🔋📱
সফটওয়্যার ও ইউজার এক্সপেরিয়েন্স:
Xiaomi 17 Ultra‑তে MIUI UI থাকে, যা Android‑এর উপরে কাজ করে। সফটওয়্যারটি খুব সহজ এবং পরিষ্কার। মেনু, আইকন এবং সব অপশন সহজে দেখা যায়। নতুন ব্যবহারকারীর জন্যও UI দ্রুত বোঝা যায়। ফোনটি Android‑এর নতুন ভার্সন দিয়ে চলে। এতে নিরাপত্তা ও নতুন ফিচার সবই মিলে। স্ক্রল, নেভিগেট ও অ্যাপ চালানো সবই মসৃণ। ল্যাগ বা থামা মনে হয় না।
MIUI‑তে কিছু স্মার্ট ফিচার আছে।
-
আপনি থিম, ওয়ালপেপার ও আইকন নিজের মতো বদলাতে পারেন।
-
নোটিফিকেশন বার থেকে দ্রুত Wi‑Fi, ব্লুটুথ চালু করা যায়।
-
ডার্ক মোড থাকায় রাতেও চোখে আরাম থাকে।
Xiaomi‑র গেম টার্বো ফিচার খেলায় সহায়তা করে। এটি গেমকে দ্রুত ও মসৃণভাবে চালাতে সাহায্য করে। র্যাম ম্যানেজমেন্ট ভালো হওয়ায় মাল্টিটাস্কিং দ্রুত হয়। ফোনটি বেশি বিজ্ঞাপন দেখায় না। তাই ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা পরিষ্কার ও সহজ। অ্যাপ খুলতে বা নেভিগেট করতে সময় লাগে কম।
সোজা ভাষায়, Xiaomi 17 Ultra‑এর সফটওয়্যার সহজ, দ্রুত এবং ব্যবহারবান্ধব। এটি দৈনন্দিন অভিজ্ঞতাকে আরামদায়ক করে। নতুন ব্যবহারকারী থেকেও অভিজ্ঞ কেউ সবাই সহজেই ফোনটি চালাতে পারবেন। 📱✨
বাংলাদেশে Xiaomi 17 Ultra-এর সম্ভাব্য দাম:
Xiaomi 17 Ultra এখনও বাংলাদেশে অফিসিয়ালি এসেছে না। তবে বাজার অনুমান অনুযায়ী, ফোনটির দাম অনেকটা প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির হবে। বেস মডেল, যার RAM 12GB এবং স্টোরেজ 256GB, দাম প্রায় ৳১২০,০০০ – ৳১৩০,০০০ হতে পারে। আর বড় মডেল, যেমন 16GB RAM এবং 512GB স্টোরেজ, দাম প্রায় ৳১৩৫,০০০ – ৳১৫০,০০০ পর্যন্ত যেতে পারে।
এগুলো আনুমানিক দাম। বাস্তবে দাম কম বা বেশি হতে পারে। কারণ, এতে কর, আমদানি ফি, স্টোর অফার ও বাজারের চাহিদা প্রভাব ফেলে। সোজা ভাষায়, Xiaomi 17 Ultra বাংলাদেশে এলে এটি দাম এবং ফিচারে একটি উচ্চমানের ফোন হিসেবে দেখা যাবে। যারা প্রিমিয়াম ফিচার চান, তাদের জন্য এটি ভালো বিকল্প হবে।
Xiaomi 17 Ultra কাদের জন্য উপযুক্ত?
Xiaomi 17 Ultra হলো একটি শক্তিশালী এবং প্রিমিয়াম ফোন। এটি বিশেষ করে তাদের জন্য উপযুক্ত, যারা ভালো ক্যামেরা, বড় এবং উজ্জ্বল ডিসপ্লে, দ্রুত পারফরম্যান্স এবং দীর্ঘ ব্যাটারি চান। যারা ফটো ও ভিডিও ভালোভাবে তুলতে চান, তাদের জন্য এই ফোন আদর্শ। গেমিং ও ভিডিও দেখতেও এটি দারুণ অভিজ্ঞতা দেয়। অফিস বা কাজের জন্যও এটি ব্যবহার করা সহজ, কারণ মাল্টিটাস্কিং এবং নোট নেওয়া মসৃণ।
ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি প্রিমিয়াম এবং শক্তিশালী। সারাদিন ব্যবহারের পরও ব্যাটারি টিকে থাকে এবং দ্রুত চার্জ হয়। সহজভাবে বললে, Xiaomi 17 Ultra হলো তাদের জন্য যারা একটি সম্পূর্ণ প্রিমিয়াম এবং ব্যালান্সড স্মার্টফোন চান।
FAQ
Xiaomi 17 Ultra কি বাংলাদেশে অফিসিয়ালি লঞ্চ হবে?
এখনো পর্যন্ত Xiaomi বাংলাদেশ অফিসিয়ালি Xiaomi 17 Ultra লঞ্চের ঘোষণা দেয়নি। তবে আগের Ultra সিরিজগুলো বাংলাদেশে এসেছে, তাই অফিসিয়াল লঞ্চের সম্ভাবনা রয়েছে।
Xiaomi 17 Ultra-এর বাংলাদেশে সম্ভাব্য দাম কত?
ধারণা করা হচ্ছে, Xiaomi 17 Ultra বাংলাদেশে এলে এর দাম হতে পারে আনুমানিক ১,২০,০০০ থেকে ১,৪০,০০০ টাকা, ভ্যারিয়েন্ট ও ট্যাক্সের ওপর নির্ভর করে।
Xiaomi 17 Ultra কি 5G সাপোর্ট করবে?
হ্যাঁ, Xiaomi 17 Ultra একটি পূর্ণাঙ্গ 5G ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন হবে এবং সব আধুনিক 5G ব্যান্ড সাপোর্ট করার সম্ভাবনা রয়েছে।
Xiaomi 17 Ultra-তে কোন প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে?
Xiaomi 17 Ultra-তে Qualcomm-এর সর্বশেষ ফ্ল্যাগশিপ চিপসেট Snapdragon 8 Gen 4 ব্যবহার করা হতে পারে, যা হাই-এন্ড পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে।
Xiaomi 17 Ultra কি গেমিংয়ের জন্য ভালো?
অবশ্যই। শক্তিশালী প্রসেসর, উন্নত কুলিং সিস্টেম এবং 120Hz ডিসপ্লে থাকার কারণে Xiaomi 17 Ultra হেভি গেমিংয়ের জন্য খুবই উপযোগী।
Xiaomi 17 Ultra-এর ক্যামেরা কি সত্যিই এত ভালো?
Xiaomi 17 Ultra-তে Leica টিউন করা 1-inch সেন্সর ক্যামেরা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যা লো-লাইট ও প্রফেশনাল ফটোগ্রাফিতে অসাধারণ পারফরম্যান্স দিতে পারে।
Xiaomi 17 Ultra কত দ্রুত চার্জ হয়?
এই ফোনে সম্ভবত 120W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট থাকবে, যার মাধ্যমে মাত্র ২০–২৫ মিনিটেই ফোন প্রায় ফুল চার্জ করা সম্ভব হতে পারে।
Xiaomi 17 Ultra-তে কত বছর সফটওয়্যার আপডেট পাওয়া যাবে?
Xiaomi তাদের ফ্ল্যাগশিপ ফোনে সাধারণত ৪ বছর Android আপডেট এবং ৫ বছর সিকিউরিটি আপডেট দিয়ে থাকে।
Xiaomi 17 Ultra কি ওয়্যারলেস চার্জিং সাপোর্ট করে?
হ্যাঁ, Xiaomi 17 Ultra-তে ওয়্যারলেস চার্জিং ও রিভার্স ওয়্যারলেস চার্জিং—দুটোই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
Xiaomi 17 Ultra কি কেনা উচিত?
যদি আপনি একটি প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ ফোন, সেরা ক্যামেরা, শক্তিশালী পারফরম্যান্স এবং দ্রুত চার্জিং চান—তাহলে Xiaomi 17 Ultra আপনার জন্য একটি চমৎকার পছন্দ হতে পারে।
শেষ কথা
সব মিলিয়ে বলা যায়, Xiaomi 17 Ultra হতে যাচ্ছে একটি শক্তিশালী ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন, যা প্রযুক্তিপ্রেমী ও প্রিমিয়াম ইউজারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। অফিসিয়াল লঞ্চের পর চূড়ান্ত স্পেসিফিকেশন জানা গেলে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
👇👇👇
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔
📌 পোস্টটি শেয়ার করুন! 🔥

2 thoughts on “Xiaomi 17 Ultra রিভিউ-স্পেসিফিকেশন, দাম ও ফিচার |কেন কিনবেন এই ফোন?”